রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
খায়রুল আমিন,গুরতর আহত হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মৃত্যু শয্যায় চিকিৎসাধীন (উপরে) ,হামলাকারীরা (নীচে)। ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালী
মহেশখালী পৌরসভার দঃঘোনাপাড়ায় এক নিরীহ পরিবারের উপর সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তদের সন্ত্রাসী স্টাইলে দফায় দফায় আক্রমণ করে মা-ছেলেসহ অন্তত ৪ জনকে আহত করেছে গত ১৮ মার্চ ফারুক মাঝি গং। আহতদের মধ্যে খায়রুল আমিন গুরতর আহত হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্র থেকে জানাযায়, খায়রুল আমিনের মাথায় ধারালো দা’র কোপের আঘাতের ক্ষতের অপারেশন করা হয়েছে। আর একটু সুস্থ হলে হাতের অপারেশন করা হবে। তবে এখনো সব কিছু বলা যাচ্ছেনা সকল রিপোর্ট আসলে শঙ্কা মুক্ত কিনা বলা যাবে।
আহতের ভাই ফরিদ আলম ঘটনার বিবরণে বলেন, ফারুক প্রকাশ ফারিক্কা মাঝি এলাকার চিহ্নিত অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী জালেম, জুলুমবাজ ও পরধন সম্পদ অবৈধ জোর জবর দখলকারী প্রকৃতির ধরণের মানুষ।
গত ১৮/০৩/২০২১ইং তারিখ বিকাল ৫ টার সময় ফারিক্কা লোকজন সহ অস্ত্র শস্ত্র সহকারে আমার বসত বাড়ীতে হামলা চালায়। মা ফরাশ খাতুনকে আক্রমন করে। তার হাতে পায়ে পিঠে, বুকে কোমরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখম করে।
ঘটনা জানার পর আহত মাতাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মহেশখালী হাসপাতালে নিয়া আসি। এই সময় অর্থাৎ সন্ধ্যা অনুমান ৬.৩০ টা সময় ওরা সদলবলে আমার ভাই খাইরুল আমিনকে একা পেয়ে জোর পূর্বক ধরে দক্ষিণ ঘোনাপাড়া সাইক্লোন শেল্টারের উপরে নিয়ে যায়।
সেখানে ফারুক প্রকাশ ফারিক্কা মাঝি আমার ভাই খাইরুল আমিনকে অকথ্য ও অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করে করে এক পর্যায়ে তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া খুন করে ফেলব বলে খাইরুল আমিনের মাথায় কুপ দিলে উক্ত দা এর কুপ তাহার মাথার উপরে তুলিতে লেগে রগ ও হাড় কেটে গিয়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। বাসিন্না মাঝি হাতে থাকা লম্বা কিরিচ দিয়া পুণরায় খুন করার নিয়তে স্বজোরে ভাইয়ের মাথায় পর পর ৩টি কোপ দেয়। কিরিচের কোপ তাহার মাথায় লাগিয়া গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। খাইরুল বশর লোহার রড় দিয়া খাইরুল আমিনের মাথায় বারী দিলে আত্মরক্ষার করতে চাইলেও খাইরুল আমিনের ডান হাতের কিনকিনির উপরে লাগিয়া হাড় ভেঙে যায়। এভাবেই তার সঙ্গবদ্ধ হয়ে আমার ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে আহত করে। কিন্তু মহান আল্লাহর রহমতে কোন রকমে বেঁচে যায়। তবে এখনো শঙ্কামুক্ত নয়।
ফরিদুল আলমের মা ফরাশ খাতুন বলেন, আমি আমাকে মারা আর আমার ছেলে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য নিয়ে এমন ন্যাক্কার জনক সন্ত্রাসী ঘটনার বিচার এলাকাবাসী এবং প্রশাসনের কাছে চাই।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ফারুক মাঝির প্রকাশ ফারিক্কা মাঝির পরিবার বোটের ব্যবসা করে সেটা নিয়ে এলাকায় বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। অনেকেই বলেন এদের কয়েকটা বোট একসাথে থাকার কারণে জলদসূতায় জড়িত।
ফরিদুল আলম আরো অভিযোগ করে বলেন, আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে মামলা করলে আরো এক ভাইকে এমনভাবে পিটিয়ে মারা হবে। তারা বর্তমানে খুবই নিরাপত্তহীনতার সাথে আছেন।
ভয়েস/জেইউ।